

সৈয়দপুরের আলোঃ ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে সেমাইয়ের বাড়তি চাহিদার সুযোগে ভেজাল ও অনিয়ম রোধে অভিযান জোরদার করেছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর।
মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার বিভিন্ন সেমাই কারখানায় জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগ নীলফামারী জেলা এবং র্যাব-১৩ ও আনসার সদস্যদের সমন্বয়ে যৌথ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে তিনটি প্রতিষ্ঠানে মোট ১ লাখ ৩০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড আরোপ করা হয়েছে।
অভিযান সূত্রে জানা যায়, কয়েকটি কারখানায় অনুমোদনহীন রং ও কৃত্রিম ফ্লেভার ব্যবহার, খাদ্যপণ্যে ব্যবহার অনুপযোগী আয়োডিনযুক্ত লবণ মজুদ এবং অস্বাস্থ্যকর ও অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে উৎপাদনের প্রমাণ পাওয়া গেছে। এছাড়া পণ্যের মোড়কে ঘোষিত উপাদানের সঙ্গে বাস্তব উপাদানের মিল না থাকা, উৎপাদন প্রক্রিয়ায় স্বাস্থ্যবিধি না মানা এবং নিম্নমানের কাঁচামাল ব্যবহারের মতো গুরুতর অনিয়মও ধরা পড়ে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এসব অনিয়ম জনস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ।
অভিযানে সৈয়দপুরের নিয়ামতপুর এলাকার রসনি সেমাই কারখানাকে ৩০ হাজার টাকা, তাজ ফুড প্রোডাক্টস সেমাই কারখানাকে ৬০ হাজার টাকা এবং নাজ ফুড প্রোডাক্টস সেমাই কারখানাকে ৪০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।
জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর রংপুর বিভাগের উপ-পরিচালক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, “ঈদকে কেন্দ্র করে খাদ্যপণ্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। এ সুযোগে কোনো অসাধু ব্যবসায়ী যাতে ভেজাল বা নিম্নমানের পণ্য বাজারজাত করতে না পারে, সে বিষয়ে আমরা কঠোর অবস্থানে আছি। জনস্বার্থ ও ভোক্তা স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।”
আপনার মতামত লিখুন :