

সৈয়দপুরের আলোঃ নীলফামারী-৪ (সৈয়দপুর–কিশোরগঞ্জ) আসনের রাজনৈতিক মাঠে বড় ধরনের পরিবর্তন এনে ধানের শীষের পক্ষে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রনেতা এস এম মামুন আর রশীদ। তিনি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারকে আনুষ্ঠানিকভাবে সমর্থন জানিয়ে নির্বাচনী প্রতিযোগিতা থেকে নিজেকে প্রত্যাহার করেন।
শুক্রবার রাত সাড়ে ১১টায় সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক আলোচনা সভায় তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারের হাতে ধানের শীষের প্রতীক তুলে দিয়ে এই সমর্থনের ঘোষণা দেন।
এ সময় স্থানীয় বিএনপি, অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মী, বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ এবং তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে এস এম মামুন আর রশীদ বলেন,“বিএনপি আমার অস্তিত্বের সঙ্গে গাঁথা। আমি একজন কর্মী হিসেবে কখনোই দেখতে পারি না আমার চোখের সামনে ধানের শীষের ক্ষতি হোক, দলের ক্ষতি হোক। তাই আমি বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আব্দুল গফুর সরকারকে পূর্ণ সমর্থন জানিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালাম।”
তিনি আরও বলেন,“আমি আমার সঙ্গে থাকা সব কর্মী-সমর্থক, বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মকে আহ্বান জানাই সৈয়দপুর ও কিশোরগঞ্জের মানুষের স্বার্থে অন্তত একবার আমরা ঐক্যবদ্ধ হই। গত ১৫ বছরে এই অঞ্চলে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন আমরা দেখিনি। আজ আমাদের প্রিয় নেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখে যদি এই আসন জাতীয়তাবাদী বিএনপির হাতে তুলে দিতে পারি, তাহলে শুধু বিএনপি নয়, পুরো সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের মানুষের উন্নয়ন নিশ্চিত হবে।”
এবিষয়ে সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি ও নীলফামারী-৪ আসনের বিএনপির প্রার্থী আব্দুর গফুর সরকার বার্তা২৪.কমকে বলেন, এ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী মামুনুর রশীদ মামুন বিএনপিকে ভালোবাসে। তিনি ভুল সিদ্ধান্ত নিয়ে নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছিলেন, তার মার্কা ছিল মোটরসাইকেল। পরে সে তার ভুল বুঝতে পেরে আজকে বিএনপির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেন। তিনি এখন থেকে ধানের শীষের পক্ষে কাজ করবেন।
আলোচনা সভায় উপস্থিত নেতৃবৃন্দ বলেন, এই ঐক্যের সিদ্ধান্ত নীলফামারী-৪ আসনে ধানের শীষের বিজয়ের সম্ভাবনাকে আরও শক্তিশালী করবে। তারা বলেন, দলীয় ঐক্য, সাংগঠনিক শক্তি ও সম্মিলিত প্রচারণার মাধ্যমে জনগণের ভোটাধিকার পুনঃপ্রতিষ্ঠা, গণতন্ত্র রক্ষা এবং এলাকার কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন বাস্তবায়নের পথ সুগম হবে।
আপনার মতামত লিখুন :