

মোঃ মারুফ হোসেন লিয়নঃ নীলফামারীর উত্তরা ইপিজেডে শ্রমিক-যৌথ বাহিনীর সংঘর্ষের ঘটনায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সংঘর্ষের পরপরই সেখানে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে কাজ করছে।
এর আগে আজ মঙ্গলবার (২ সেপ্টেম্বর) সকাল ৯ টায় দিকে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে একজন শ্রমিক নিহত হন। নিহত শ্রমিকের নাম হাবিবুর রহমান হাবিব (২১)। তিনি সদর উপজেলা সংলশী ইউনিয়নের কাজিরহাট এলাকার দুলাল হোসেনের ছেলে এবং উত্তরা ইপিজেডের ইকু ইন্টারন্যাশনাল (স্পিনিং অ্যান্ড কম্পোজিট) কোম্পানির কর্মী। এ ছাড়াও ২০ জন শ্রমিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে অনেকেই নীলফামারী জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
শ্রমিকরা সৈয়দপুরের আলো কে জানান , উত্তরা ইপিজেডের এভারগ্রিন প্রোডাক্টস ফ্যাক্টরি (বিডি) লিমিটেডের শ্রমিকরা চার দিন ধরে ন্যায্য বেতন, অতিরিক্ত কাজের মুল্য পরিশোধ এবং ছাঁটাইকৃত পুরাতন শ্রমিকদের পুনর্বহালের দাবিতে দুইদিন ধরে কর্মবিরতি পালন করছিলেন। এই আন্দোলনকে সমর্থন জানিয়ে ইপিজেডের অন্যান্য কোম্পানির শ্রমিকরাও একই দাবিতে একত্রিত হন।
সোমবার দিবাগত রাতে হঠাৎ কোম্পানি কর্তৃপক্ষ প্রতিষ্ঠান বন্ধের নোটিশ দেয়। এরপর মঙ্গলবার সকালে শ্রমিকরা প্রধান গেটে তালা লাগিয়ে দেন।
নীলফামারী ব্যাটালিয়ন ৫৬ বিজিবির লেফট্যানেন্ট কর্নেল এস এম বদরুদ্দোজা সৈয়দপুরের আলো কে বলেন, উত্তরা ইপিজেডের ঘটনায় পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবি যৌথভাবে কাজ করছে। পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। প্রশাসনিক পর্যায়ে কার্যক্রম চলছে এবং সার্বিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি এখন নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :