

মোঃ দেলোয়ার হোসেন কিশোরগঞ্জ(নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ নীলফামারীর কিশোরগঞ্জে বাজার মূল্যে ক্রয়কৃত দলিল মূলে সম্পাদিত ভোগদখলীয় জমি রেজিষ্ট্রি করণে ছলচাতুরীসহ প্রতারণা ও প্রায় লাখ টাকার ভুট্টা ক্ষেত বিনষ্টের পাশাপাশি রোপিত বিভিন্ন প্রজাতির গাছ উপড়ে ফেলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। এঘটনায় ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম প্রতিকার চেয়ে রোববার রাতে থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, উপজেলার পুটিমারী ইউনিয়নের ভেড়ভেড়ী গ্রামের মৃত্যু মোজাফফর হোসেনের ছেলে ভুক্তভোগী রশিদুল ইসলাম গত ৫ বছর আগে একই গ্রামের মোকলেছার ও তার স্ত্রী রেহেনা, ছেলে রেজাউল, মাহমুদুল,বিল্লাহ এর নামীয় ভেড়ভেড়ী মৌজার জে,এল,নং- ৫,খতিয়ান এস,এ -৯২৬, বি,এস-১৪০৪, খারিজ -৩৩৫৪, দাগ নং এস,এ ৫৭৯২, ৬২৫৪,৬২৫২,৫৮০৮,দাগ নং বি,এস-৬৫২৪,৬৫৩৮,৬৫৩৫,৬৫৯২ এর মধ্যে ১৯ শতাংশ জমি বাজার মূল্যে নগদ ৫ লাখ ২০ হাজার টাকা মূল্য ক্রয় করে দলিল সম্পাদন করে নেন। এতে মোকলেছার ও তার স্ত্রী সম্পাদন দলিলে স্বাক্ষর করে জমির দখল সত্ব বুঝিয়ে দেন। অপর মালিকগণ পরে সম্পাদন দলিলে স্বাক্ষর করে জমি রেজিষ্ট্রি করে দেওয়ার কথা জানান। দখল সত্ব বুঝিয়ে নেওয়ার পর রশিদুল ইসলাম গত ৫ বছর ধরে ওই জমি চাষাবাদ করাসহ ২৫০ প্রজাতির বিভিন্ন গাছ লাগান। পরবর্তীতে তার ছেলেদের নিকট সম্পাদিত জমি রেজিষ্ট্রিকরণের তাগিদ দিলে তারা দিনের পর দিন ছলচাতুরীসহ প্রতারণার আশ্রয় নিয়ে কালক্ষেপন করেন। গত ৩ ও ৪ জানুয়ারি রশিদুল ইসলামের ভোগদখলীয় জমিতে চাষাবাদকৃত ভুট্টা ও রোপিত বিভিন্ন প্রজাতির ২৫০ গাছ উপড়ে ফেলে প্রায় লাখ টাকার মত ক্ষতি সাধন করেন অভিযুক্ত মোকলেছার ও তার ছেলেরা। এতে বাধাঁ প্রদান করিলে ভুক্তভোগী রশিদুল কে শক্ত মারপিট করে প্রাণনাশের হুমকী প্রদর্শন করে।পরবর্তীতে স্থানীয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে এ ভর্তি করে দেন।
ভুক্তভোগী রশিদুল এই প্রতিবেদককে বলেন, আমি পেশাগত কাজে বাহিরে থাকি। ৪/৫ বছর আগে পারিবারিক ভাবে আলোচনা করে ১৯ শতক জমি ক্রয় করি এবং আমাকে দখল ও দিয়ে দেয়। তখন থেকে ভোগ করে আসিতেছি।বর্তমান বাজার মূল্য বেশি হওয়ায় আমাকে কবলা দিতে টালবাহানা শুরু করেছে। এ বিষয়ে অভিযুক্ত মোকলেছার ও তার ছেলেদের সঙ্গে কথা হলে জমি বিক্রির বিষয়টি অস্বীকার করে বলেন মাত্র আড়াই শতাংশ জমি তার কাছে বিক্রয় করা হয়েছে এবং বিচার সালিশের ১ লাখ টাকা ফেরত দেওয়ার কথা হয়েছে। আমাদের জমিতে চাষাবাদকৃত ভুট্টা ও লাগানো গাছ উপড়ে ফেলেছি।
এবিষয়ে কিশোরগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ লুৎফর রহমান বলেন, লিখিত অভিযোগ পেয়েছি এস আই কাজী রিপনকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছে।তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :