মোঃ দেলোয়ার হোসেন,কিশোরগঞ্জ (নীলফামারী)প্রতিনিধিঃ কাঁচা মরিচ একটি নিত্যপ্রয়োজনীয় মসলা। ছোট বড় ধনী গরীব হোটেল রেস্তোরায় কাঁচা মরিচের ব্যবহার অপরিহার্য।কাচাঁ মরিচের উৎপাদন কমে যাওয়ায় দেশের বিভিন্ন হাট বাজারে ৩ শত ৮০ টাকা হইতে ৪ শত টাকা পর্যন্ত প্রতি কেজি কাঁচা মরিচের কিনতে হয়েছে ক্রেতাদের।
শনিবার(০৪ অক্টোবর) কিশোরগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন বাজারে কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ৩ শত টাকা হতে ৪ শত টাকা কেজি দরে। বাজার নিয়ন্ত্রণে আনতে নেই কোন মনিটারিং ব্যবস্থা। ধারণা করা হচ্ছে কতিপয় কিছু অসাধু ব্যবসায়ীরা সিন্ডিকেট করে এই চড়া মূল্য নির্ধারণ করেছে। অনেকে বাধ্য হয়ে শুকনো মরিচ দিয়েই কাঁচা মরিচের চাহিদা পূরণ করছেন।
উপজেলার বিভিন্ন বাজারের সবজি বিক্রেতারা জানান, কাঁচামরিচের দাম পাইকারি বাজারেও বেড়েছে। তাই আমরা বেশি দামে বিক্রি করছি। আমদানি কম দাম বেশি কিছুই করার নেই। আমরা কেজি প্রতি ২০ থেকে ৩০ টাকা লাভ করে থাকি। পাইকারি বাজারে দাম না কমলে আমাদের কিছু করার নেই।
কিশোরগঞ্জ বাজারের কয়েকজন কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ীর সাথে কথা বলে জানা গেছে, স্থানীয় ভাবে কাঁচা মরিচের উৎপাদন কম এবং চাহিদা অনুযায়ী বাইরে থেকে আমদানি স্বাভাবিক পর্যায় না থাকায় কাঁচা মরিচের বাজার এতটা বেড়ে গেছে। তারা আরো জানান, দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আমরা কাঁচা মরিচ আমদানি করে থাকি। সেখানেই দাম বেশি।কাঁচা মরিচের মৌসুম শেষ পর্যায়ে। এ সময় এমনিতেই কাঁচা মরিচের দাম কিছুটা বেড়ে যায়।কাঁচা মাল ব্যবসায়ী আসাদুল ইসলাম বলেন, আমার ব্যবসার বয়সে কাঁচা মরিচের দাম এতোটা দেখি নাই।
খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে অধিকাংশ সাধারণ মানুষ শুকনো গুড়া মরিচ রান্না-বান্নার কাজে ব্যবহার করছেন। গত দুই সপ্তাহ আগেই এলাকার হাট-বাজার গুলোতে ১৫০ টাকা হতে ১৬০ টাকা কেজিতে কাঁচা মরিচ বেচা-কেনা হয়েছে। আগে যারা এক কেজি আধা কেজি কাঁচা মরিচ কিনতেন এখন তাদেরকে এক পোয়া আধা পোয়া কিনতে দেখা যাচ্ছে। ফের কাঁচা মরিচের দাম অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়ায় কষ্টে পড়েছে সাধারণ নিম্ন আয়ের হাজারো মানুষ
বড়ভিটা বাজারের কাঁচা মরিচ ব্যবসায়ী আব্দুস সামাদ বলেন, কাঁচা মালের ব্যাপার। মাল কিনে রাখবো সে সাহস পাই না। এতো দামের মরিচ পচেঁ গেলে বিরাট আর্থিক ক্ষতি হবে। কাচাঁ মরিচ ক্রেতা শিবলু মিয়া বলেন রাতারাতি এত দাম কেন, আমরা কি মরে যাবো, নানা প্রশ্ন ক্রেতার কাছে।
কথা হলে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা লোকমান আলম বলেন, কাঁচা মরিচ চাষের জন্য উচুঁ জমি দরকার হয়। কাঁচা মরিচ অতি বৃষ্টি এবং অতি খরা সহ্য করতে পারে না। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনে ঘাটতি হলে মূল্য এমনিতেই বেড়ে যায়।